ভুমিকা: প্রথমত খাদ্যের প্রয়োজনে এবং কোন আবিস্কারের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ শুরু হইলেও পরবতিতে ব্যাক্তিগত ভাবে বিভিন্ন কাজে ভ্রমণ শুরু করেন পর্যটকগণ । বিশ্ববিখ্যাত পর্যটকদের মধ্যে ইবনে বতুতা অন্যতম। তিনি ১৩২৫ সালে মক্কার উদেশ্যে ভ্রমণ শুরু করেন। পরে তিনি বিশ্বের আরো বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন।অন্যদিকে বিনোদনের উদেশ্যে দলরিকার গত ভাবে ১৯৬০ সালে আমেরিকার কিচ্ছু ব্যাক্তি ভ্রমণ শুরু করেন।

এমনি ভাবে বিভিন্ন দেশে কি সরকারী কি বেসরকারী কি প্রতিষ্ঠানিক ভাবে পরযটনের কার্যক্রম শুরু হয়।বতমানে ইহা্ একটি শিল্প বা আয়ের উৎস। পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে যাদের প্রধান আয়ের উৎস হল পর্যটন শিল্প। পর্যটন শিল্পের ৫(পাঁচটি) উপাদানের মধ্যে একটি হচ্ছে (Attraction) আকর্ষণ। আর এই আকর্ষণ সমূহ দুই প্রকারঃ প্রথমত- প্রকৃতি বা খোদা প্রদত্ত, যেমন- হিমালয় পর্বত , নায়েগ্রার জলপ্রপাত দ্বিতীয়ত মানবসৃষ্ট যেমন- আগ্রার তাজমহল, ব্যাবীলনের স্বর্ণ উদ্যান ইত্যাদি। সেদিক থেকে বাংলাদেশেও রয়েছে পর্যটক শিল্পের পর্যাপ্ত উপাদান যেমন-কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। ১৯৫২ সালে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন নামে সারকারীভাবে পর্যটনের কাজ শুরু করে। পরবতীতে বেসরকারী বা প্রতিষ্ঠানিকভাবে ব্যাক্তিগত উদ্যোগে অনেক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে আমাদের দেশে অসংখ্য পর্যটন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।